Credit :
Balance : 0.00 USD
Balance : 0.00 BDT
Are You New? Please Visit: How To Work..
যে সব কারণে আইডি ব্যান করা হবে ..বিস্তারিত..
User IP - 3.236.159.130

Please Login for start work...

আমাদের সাইটের কাজ শুরু হয়েগেছে,আপনারা চাইলে এখন থেকে আামদের সাইটে কাজ করতে পারেন।এখন শুধু Google Search এবং Skip Ads কাজ শুরু হয়ছে, আস্তে আস্তে সকল কাজ শুরু হবে ইনসাল্লাহ। সাইট সম্পর্কিত সকল আপডেট পেতে FB Group Youtube এ জয়েন হয়ে নিন। Proxy ip বা Vpn ব্যবহার করলে এবং এক ব্যক্তি বা এক আইপি থেকে একাধিক একাউন্ট চালালে যে কোন সময় একাউন্ট ব্যান বা ব্লক করে দেওয়া হবে। অনুগ্রহ করে Proxy ip বা Vpn ব্যাবহার থেকে বিরত থাকুন। Minimum Withdraw 10 TK Only for Mobile Recharge And bKash-Rocket-Nagad Minimum Withdraw 50 Tk

Registration Form


Name: Payment Account (Bkash/Mobile no) (01xxxxx) Email: Password: Ref


Login

Recent Post

একজন হিন্দু ছেলে মুসলিম হওয়ার একটি বস্তব ঘটনা

আসসালামু আলাইকুম (আপনাদের সকলের উপর আল্লাহর কল্যাণ ও শান্তি বর্ষিত হোক)! আমি বাবলু কুমার বিশ্বাস (বর্তমান নাম আকিফ-উল-ইসলাম) সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলাম আগে। আপনাদের সামনে আমি আমার সত্য পথে (ইসলামে) ফিরে আসার বিষয়টি তুলে ধরতে চাই। আমার বয়স যখন ২১-২২ বছর তখন চট্টগ্রামে বাসার ছাদে একদিন সন্ধ্যার সময় আমি গান শুনছিলাম। মসজিদে আযান দিচ্ছে কিন্তু আমি পাত্তা দেয়নি গান শুনছিলাম। বাসার পাশেই মসজিদটি ছিলো। হঠাৎ আমার চোখ মসজিদের জানালার দিকে পড়লো দেখলাম মুসলিমেরা সলাহ্ (নামাজ) আদায় করছে।এই দৃশ্য দেখামাত্র আমার মনের মধ্যে একটি কথা ভেসে উঠলো " তারা এখন সলাহ্ আদায় বা প্রার্থনা করছে আর আমি এখন গান শুনছি!" তখন এই দৃশ্যটি আমার বিবেকবুদ্ধিকে নাড়া দিয়েছিলো। এরপর থেকে ধর্মের প্রতি ঝুকতে শুরু করি। বলে রাখি হিন্দু ধর্মে সাধারণত মহিলাদের দিয়েই সকল ধরনের দৈনন্দিন পূজাপার্বণ করা হয়। আর পুরুষেরা ব্যস্ত থাকে কাজকর্ম নিয়ে। যদি তারা কখনও বাসায় থাকে এবং মন চায় তখন গিয়ে তাদের দেব-দেতাদের প্রনাম করে আসে। মনে প্রশ্ন আসলো ধর্ম কি শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য নাকি বাড়ির একজন করলে সকলের হয়ে যায়? কেন এই ধর্ম বিমুখতা বা শিথিলতা?কেন আমাদের এতগুলো দেব-দেবতার প্রার্থনা করতে হয় যেখানে মুসলিমেরা একমাত্র এক আল্লাহর প্রার্থনা করে? এই সকল দেব-দেবতাদের সাথে আমাদের কি আদৌও কোন সম্পর্ক আছে? থাকলে সেই সম্পর্কের প্রমাণ বা বাস্তবতা কোথায়? আর মুসলিমেরা যে একজন সত্তার প্রার্থনা করে সেই আল্লাহ তিঁনি কে? তারা কেন একজনের প্রার্থনা করে? আমরা সকল মানুষ যদি এক হয়ে থাকি তাহলে আমাদেরকে যিঁনি বা যারা সৃষ্টি করেছেন তিঁনি বা তারা আলাদা কেন? আমাকে যদি একজন ব্যক্তি (আমার বাবা) জন্ম দিয়ে থাকে তাহলে আমার সৃষ্টিকর্তা তিঁনিওতো একজনই হওয়ার কথা বিবেকবুদ্ধি সেটায় তো বলে! ৩৩ কোটি দেব-দেবী তাদের মধ্যে কেউ সৃষ্টি করেন, কেউ বিশ্বজগত পালন করেন, কেউবা বিনাশ করেন, কেউবা ধন-সম্পদ দান করেন, কেউবা শক্তি প্রদান করেন, কেউবা রোগ-শোক থেকে মুক্তি দেন এমন কেন? একজন কি সকল দায়-দায়িত্ব নিতে পারেন না নাকি আমাদের বুঝতে ভুল হচ্ছে? আচ্ছা আমার বাবা আমাকে জন্ম দিয়েছেন, দেখাশোনা বা লালনপালন করছেন (এখনও পর্যন্ত), যদি উল্টাপাল্টা কাজ করতাম তাহলে সেইরকম উত্তম মাধ্যম চলতো আমার উপরে, আমার বাবা ধন-সম্পত্তি জমাচ্ছেন আমাদের জন্য। আমাদের শরীরে শক্তি সরবরাহের জন্য ভালো ভালো খাবার কিনে খাওয়াচ্ছেন। আমার কোন রোগ হলে তিনি সেটা থেকে সেরে ওঠার ব্যবস্থা করেন। মোটকথা আমি বুঝাতে চাচ্ছি যদি সকল কিছুর জন্য আমি সেই একজন (আমার বাবা) কেই পাশে পায় যিনি আমাকে জন্ম দিয়েছেন তাহলে আমাকে সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সকল দায়-দায়িত্বের পেছনে কিভাবে ৩৩ কোটি দেব-দেবতার অবদান আছে? কিভাবে? আছে কোন প্রমাণ বা বাস্তবতা? নাকি এই সকল (আমাকে সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত) কিছুর মূলে শুধুমাত্র একজন সত্তার অবদান রয়েছে? বাস্তবতা ইঙ্গিত দিচ্ছে একক সত্তার দিকে। তাই ঢুকে পড়লাম সকল ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থগুলোতে খুঁজতে লাগলাম আমার সৃষ্টিকর্তাকে! সর্বপ্রথম হিন্দুধর্মের প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলো (বেদ,উপনিষদ,গীতা ইত্যাদি) তে খুঁজলাম দেখলাম সেখানে একজন সত্তার (সর্বশক্তিমান ঈশ্বর)কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে দেখলাম সনাতন ধর্মের ধর্মীয় পূজাপার্বণ / রীতিনীতিতে একক স্রষ্টার প্রার্থনার কোন অস্তিত্ব নেই বরং সেখানে সেই মহান সত্তাকে বাদ দিয়ে সবাই পূরাণের দেব-দেবতাদেরকে (যাদের কোন বাস্তব ভিত্তিক অস্তিত্ব আছে বলে কোন প্রমাণ নেই) তাদের মনের আসনে বসিয়েছে,পূজা অর্চনা করছে,মাথানত করছে ইত্যাদি। সংসারে যার যে ধরনের প্রয়োজন হয়েছে সে সেই অনুযায়ী দেব-দেবীকে গ্রহণ করেছে। কারো ধন-সম্পদের প্রয়োজন, লক্ষী দেবীর প্রতিমা স্থাপন করেছে,কেউ রোগ-শোক থেকে বাঁচতে চায় শীতলা দেবীর পূজা করছে, কারো শক্তির প্রয়োজন হলে তখন তারা দূর্গা বা কালী দেবীর পূজা করছে। অথচ প্রধান গ্রন্থ বেদ,উপনিষদ, গীতা ইত্যাদি গ্রন্থগুলোতে এসব দেব-দেবীর কোন অস্তিত্বই নেই! প্রধান গ্রন্থগুলো বলছে, সব কিছুর মূলে একক সত্তায় রয়েছে যার কোন প্রতিমা বা মূর্তি নেই আর আমরা করছি তার উল্টো টা। এবার সৃষ্টিকর্তাকে খুজঁতে ঢুব দিলাম খ্রীষ্টান ধর্মগ্রন্থ বাইবেল বা ইঞ্জিলে। দেখলাম সেখানেও একক স্রষ্টার কথা বলছে যিনি অদৃশ্যে থেকে সকল কিছু পরিচালনা করছে। কিন্তু যখন তাদের ধর্মীয় রীতিনীতির দিকে খেয়াল করলাম দেখলাম তারা রীতিমতো যিশুখ্রিস্টকে সৃষ্টিকর্তার পুত্র হিসেবে মেনে চলছে। তারা ট্রিনিটিতে বিশ্বাসী অবাক হলাম! এরা বলে" পিতা,পুত্র ও পবিত্র আত্মা, তিন মিলে এক ট্রিনিটি। পাগল হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলো। বুঝতে পারলাম কিভাবে তারা স্রষ্টার নামে অপবাদ আরোপ করছে। স্রষ্টার পুত্র থাকলে অবশ্যই তাঁর স্ত্রী আছে (জঘন্য চিন্তাভাবনা)। কিন্তু আমি পবিত্র গন্থ থেকে জেনেছি সর্বশক্তিমান স্রষ্টা তিঁনি জন্ম নেননি ও জন্ম দেননি। তাদের বিকৃত মন মানসিকতা ও ধর্মকে বিকৃত করা সম্পর্কে ভালো একটা অভিজ্ঞতা হলো। তারপর ঢুব দিলাম পবিত্র গ্রন্থ কোরআনে যেখানে আল্লাহ বলছেন- "বলো,তিঁনি আল্লাহ্ এক অদ্বিতীয়, তিঁনি কারো মুখাপেক্ষী নন বরং আমরা সবাই তার মুখাপেক্ষী, তিঁনি জন্ম দেননি জন্ম নেননি, তাঁর সমতুল্য কোন কিছু নেই।" তিঁনি আরো বলছেন - " তিঁনি ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই, তিঁনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার বা সবকিছুর ধারক।" এছাড়াও কোরআনে বলা হচ্ছে- আমরা সকলেই নাকি একই জাতি বা একই ধর্মে ছিলাম পরবর্তীতে আমরাই ধর্মকে বিকৃত করেছি। আয়াতটি হলোঃ- সুরা আল আম্বিয়া ৯২ ও ৯৩। "তোমাদের এ সব জাতিগুলো/এসব ধর্ম হচ্ছে একই জাতি/একই ধর্ম, আর আমি (আল্লাহ) তোমাদের প্রতিপালক, কাজেই আমারই ‘ইবাদাত (প্রার্থনা) কর। "কিন্তু তারা (পরবর্তীতে) নিজেদের (ধর্মীয়) কাজ-কর্মে পরস্পর পার্থক্য সৃষ্টি করেছে, তা সত্ত্বেও তারা সবাই আমার কাছে ফিরে আসবে।" সুরা আল মু'মিনুন ৫৩-৫৪ নং আয়াতে আল্লাহ আরো বলছেনঃ- "কিন্তু মানুষ তাদের (ধর্মীয়) কর্তব্য কর্মকে শুধুশুধু বিভক্ত করে ফেলেছে, আর প্রত্যেক দলই তাদের কাছে যা আছে তাই নিয়ে আনন্দিত। কাজেই তাদেরকে কিছুকাল তাদের অজ্ঞানতাপ্রসূত বিভ্রান্তিতে থাকতে দাও।" বিষয়টি আসলেই ভাবাই আামাদের।বর্তমানে এই বিভেদের পেছনে আসলে স্বার্থলোভী শয়তানের হাত আছে যেটা আমরা বিবেকবুদ্ধি দিয়ে চিন্তা করে দেখি না। আল্লাহ্ কোরআনে দাবি করছে তিঁনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা তাই তার প্রমাণ সম্পর্কে জানতে চেষ্টা শুরু করলাম কারণ ধরুন যদি কেউ বলে আমি এই প্লেনটি তৈরি করেছি যেটা আকাশে উড়ে তাহলে সে কিভাবে সেই প্লেনটি সৃষ্টি বা তৈরি করেছে সেটার সৃষ্টিতত্ত্ব বা তৈরিতত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের সামনে উপাস্থাপন করতে হবে না হলে সে কথাটি আমরা বিশ্বাস করবো না। আল্লাহ তিঁনি বলছেন তিঁনি এই বিশ্বজগৎ ও এর মধ্যে যা কিছু আছে সব কিছু তিঁনিই সৃষ্টি করেছেন! আল্লাহ তিঁনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা কিনা সেটার প্রমাণ পাওয়ার জন্য প্রমাণের মানদন্ড হিসেবে হাতে রইলো বিজ্ঞান (শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিত সত্যগুলো), বাস্তবভিত্তিক ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো এবং নিজের নিরপেক্ষ বিবেকবুদ্ধি! দেখি আল্লাহ্ কোরআনে সকল সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে বলছেন যেমনঃ ১.জ্যোর্তিবিদ্যা যে বিদ্যা বিশ্বজগৎ সৃষ্টি সম্পর্কে বলে। ২. পদার্থবিদ্যা যা আমাদের আশেপাশে ছড়ানো ছিটানো বস্তুর সৃষ্টি সম্পর্কে বলে। এভাবে ৩. জীববিদ্যা ৪. প্রাণিবিদ্যা ৫. সমুদ্রবিদ্যা ৬.শরীরবিদ্যা ৭.ভ্রুণবিদ্যা ৮.উদ্ভিদবিদ্যা ৯. ভূমিবিদ্যা ১০. সাধারণ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিদ্যা ইত্যাদি । আমি বিস্মিত হলাম এই ভেবে যে কিভাবে একটি গ্রন্থ যেটি কিনা প্রায় ১৪৫০ বছর আগের সেটি উপোরোক্ত সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে নিখুঁত বর্ণনা দিচ্ছে, সেখানে এক মহান সত্তা আল্লাহ দাবি করছে যে তিঁনি সকলের সৃষ্টিকর্তা। তাঁর এই দাবির পেছনে সকল বর্ণনারই যোক্তিকতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ এই পবিত্র গ্রন্থ কোরআনে পাওয়া যায়। এসকল সৃষ্টিতত্ত্বের বর্ণনা রেফারেন্স সহ পরে একদিন আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। এবার ঐতিহাসিক বাস্তবভিত্তিক ঘটনাগুলো নিয়ে জানার চেষ্টা করলাম। সেখানে যেসকল ঘটনাগুলো বর্ণনা করা হয়েছে যেমন নুহ আঃ সম্পর্কে। এই ঘটনাটি প্রায় অন্য সকল ধর্মেই বলা হয়েছে কিন্তু বিকৃত করে। যে স্থানে ঘটেছিল মহাপ্লাবণ টি এবং নৌকাটির অবস্থানও কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যা এখনও নিদর্শন হিসেবে সেই জুদি পর্বতে অবস্থান করছে নৌকাটির অবয়ব। তারপর ফেরাউনের ঘটনা, লুত আঃ এর ঘটনা, সালেহ আঃ ঘটনা, গুহাবাসির ঘটনা ইত্যাদি সহ অসংখ্য ঘটনা যেগুলো নিদর্শন হিসেবে পৃথিবীতে এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এই সকল বিষয়গুলো আমাকে বাধ্য করলো বিশ্বাস করতে যে "আল্লাহ সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা,একমাত্র সত্য উপাস্য এবং যার কাছে এই পবিত্র গ্রন্থ তিঁনি পাঠিয়েছেন তিঁনি একজন বার্তাবাহক বা রাসূল।" আল্লাহ কোরআনে বলছেন--- "নিশ্চয় আল্লাহর নিকট একমাত্র দ্বীন হল ইসলাম। বস্তুতঃ যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তারা জ্ঞান লাভের পর একে অন্যের উপর প্রাধান্য লাভের জন্য মতভেদ সৃষ্টি করেছে এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহ্কে অস্বীকার করবে, (সে জেনে নিক) নিশ্চয়ই আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অতিশয় তৎপর। "আমি (আল্লাহ) তোমাকে (মুহাম্মদ সাঃ) সমগ্র মানবজাতির জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।" বিঃদ্রঃ আমার এই জানার পেছনে একটি মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তিঁনি হলে- ড. জাকির নায়েক। আল্লাহ তাকে উত্তম কল্যাণ দান করুন ইহকাল ও পরোকালে!

Read More....


আরাফার দিবসের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও করণীয়

এটি বছরের শ্রেষ্ঠতম দিন। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে এদিবসের শপথ করেছেন। এদিনেই বিশ্বনবী (ﷺ‬) আরাফার ময়দানে ঐতিহাসিক বিদায় হজ্জের ভাষণ দিয়েছিলেন। আরাফার দিনই হচ্ছে হজ্জের দিন। এমহিমান্বিত দিনেই ওহি নাযিল করে ইসলামকে পরিপূর্ণ ও পূর্নাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আরাফার রোজা পূর্বাপর দুই বছরের পাপ মোচনকারী। আরাফার দিবসের দোয়া হল শ্রেষ্ঠ দোয়া। এদিনে এতবেশী সংখ্যক বান্দা বান্দীকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির ঘোষণা দেন, যা বছরের অন্য কোনদিন এমনটি দেন না। এদিনে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তার বান্দা বান্দীদের প্রতি রহমত ও ক্ষমার এ দৃশ্য দেখে শয়তান এতোটাই ক্রোধান্বিত, লান্ছিত ও অপমানিত বোধ করতে থাকে যা আর অন্য কখনো হয়না। করণীয়: নফল রোজা, বেশী বেশী তাকবির পাঠ ও দোয়া করা। আরাফার দিনের বিশেষ দোয়া, যেটা বিশ্বনবী (ﷺ‬) সহ সকল নবিরা পড়তেন- ‎لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ “লা ইলাহা ইল্লালাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর"

Read More....


কুরবানি হোক শুধুই আল্লাহর জন্য

ভাই, গরুটা কত নিলো? - ৮০ হাজার। জিতসেন, ভাই। অনেক কমেই পাইসেন। গরুর ক্রেতা খুশি হয়ে গেলেন। চোখে মুখে ফুটে উঠলো একটি জয়ী জয়ী ভাব। ভাই, কত? - ১ লাখ বিশ। নাহ, বেশি নিসে। কমপক্ষে বিশ হাজার টাকা ঠকসেন। ক্রেতার মুখটা চুপসে গেল। চোখে মুখে হতাশা। সকালে যে নিয়্যত বা ইচ্ছা নিয়ে এই দুই ক্রেতা বের হয়েছিলেন, আশেপাশের মানুষের কথায় তা মুহুর্তে পাল্টে গেল। তাদের কাছে জয়-পরাজয় নির্ধারন হচ্ছে এখন মুল্যের ভিত্তিতে। কুরবানি তো আল্লাহর জন্য। টাকা কম হোক বেশি হোক, ইখলাসটাই এখানে আসল। কী উদ্দেশ্যে আপনার কুরবানি? কার জন্য এ কুরবানি? এটার ভিত্তিতেই নির্ধারণ হবে আপনার জয় পরাজয়। যদি সেই উদ্দেশ্য ঠিক না থাকে, কম দামে কিনে জিতে আসলেও কেউ হারতে পারে, বেশি দামে কিনে ঠকে আসলেও কেউ হতে পারে জয়ী। "ও সব পশুর রক্ত, গোশত আল্লাহর কাছে কিছুই পৌঁছে না। বরং তোমাদের পক্ষ থেকে তোমাদের তাকওয়াই তাঁর কাছে পৌঁছে”। [সুরা হজ্জ:৩৭] [সংগৃহীত] (Mizanur Rahman Azhari)

Read More....



Developed by: SA Jony
        If You Have Any Questions feel free to ask us
Version 1.0